আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ-ড্রোন ব্যবহার করছে শিক্ষার্থীরা

৮ আগষ্ট, ২০২৪ ১২:১১  

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে ঘিরে গত ৫ আগস্ট দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ঢাকার থানাগুলো পুলিশশূন্য হয়ে পড়ে। এরপর শুধু থানা নয়, পুলিশের সব ইউনিটই ফাঁকা হয়ে যায়। এই সুযোগে অতি উৎসাহী, সুযোগসন্ধানী ও দুবৃত্ত আচরনে লিপ্ত হয় অনেকেই। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে বঙ্গভবন পরিস্কার, লোপাট মাল ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় হয় শিক্ষার্থীরা। জনতার সঙ্গে মন্দির ও ভিন্ন ধর্মালম্বীদের নিরাপত্তায় রাত জেগে পাহাড়ার কাজ শুরু করে।

ঢাকার রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা গেছে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তাদের অক্লান্ত দেশপ্রেম। দেশ সংস্কারের এই মিশন বাস্তবায়নে ডাকাত ও দুস্কৃতকারীদেরদের প্রতিহত করতে তারা বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে সমন্বয় করছেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক অংশগ্রহণ ও সমন্বয়। মসজিদের মাইকে মাইকে প্রচার করা হচ্ছে সতর্ক বার্তা।

এর মধ্যে বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ড্রোন দিয়ে ধাওয়া করে ডাকাতদের পাকাড়াও করার ঘটনা এসেছে আলোচনায়। চোর খুঁজতে চুপি চুপি এই নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বেশ দক্ষতার সঙ্গে। মহল্লায় মহল্লায় ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপ ব্যবহার করে। দেশের সেবায় নিবেদিত হওয়ার এমন অনেক ভিডিও এখন ছড়িয়ে পরছে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। বিভিন্ন গ্রুপে প্রকাশ করা হচ্ছে এমার্জেন্সি হেল্প অ্যালার্ট। ব্যবহার করা হচ্ছে সতর্কতামূলক হ্যাসট্যাগ। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষেণে তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় নজর রাখছেন সিসিটিভি-তেও।